“আগে চাকরি পরে ভোট, বেকার যুবক যুবতী বাধো জোট” পুজোর আগেই ভাইরাল পোস্টে সরব চাকরি প্রার্থীরা!

“আগে চাকরি পরে ভোট, বেকার যুবক যুবতী বাধো জোট” পুজোর আগেই ভাইরাল পোস্টে সরব  চাকরি প্রার্থীরা!

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতবর্ষের অর্থনীতির সবচাইতে বড় সমস্যা বেকারত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে আছে রাজ্যজুড়ে। স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বহু বছর থেকেই বন্ধ। এই সং-কটকালে চাকরি প্রার্থীরা ক্ষো-ভ উগরে দিচ্ছেন শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে । স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে বারবার আর্জি জানানোর পরেও কাজ থমকে আছে। প্রতিবাদীদের পক্ষ থেকে চলছে ডেপুটেশন কর্মসূচি।

বামফ্রন্টের প্রশাসন কালে নিয়ম করে প্রতি বছর শিক্ষক নিয়োগ। কিন্তু বর্তমান তৃণমূল শাসনে টনিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ। উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ দীর্ঘ সাত । প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া গত 7 8 বছর ধরে চলছেই, শেষ হবার নাম নেই। এই বিজ্ঞপ্তি ২০১৭ সালে দেওয়া হলেও, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার তোড়জোড় নেই।

স্কুলের মত বেহাল দশা হয়ে আছে কলেজ শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার। বন্ধ হয়ে আছে সিএসসি নিয়োগ। অন্যান্য সরকারি দপ্তরেও বহুদিন ধরেই নিয়োগ হচ্ছেনা। নির্দেশিকা জারি হলেও বাকি পদ্ধতি বিশবাও জলে।বর্তমানে দেওয়ালে পথ থেকে যাওয়া পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে নতুন এক পদ্ধতিতে প্রতি-বাদে নেমেছেন যুব সম্প্রদায়। কিছুদিন আগেই ট্রেন্ডে এসেছে “আগে চাকরি পরে ভোট বেকার যুবক যুবতী বাধো জোট” এই শিরোনাম সহ হ্যাশট্যাগ দেওয়া পোস্টগুলো।

সমান অবস্থা কেন্দ্রের চাকুরী নিয়োগের ক্ষেত্রে। সোশ্যাল মিডিয়াতে নেটিজেনরা প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন পালিত করছেন ‘জাতীয় বেরোজগার দিবস’ হিসেবে। চাকরি প্রার্থীদের মতে, “দেশের অর্থনীতির অবস্থা তলানিতে। চাকরির কোনো সংস্থান নেই। রেকর্ড হারে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা। সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, তবে পরীক্ষা বা নিয়োগ কোনওটাই হচ্ছে না। ফলে প্রতি-বাদ জানানো ছাড়া আর কোনো পথ খালি নেই।”সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিলো #NationalUnemploymentDay, #राष्ट्रीयबेरोजगारदिवस, #बेरोजगार_दिवस। এইসব হ্যাশট্যাগ রীতিমতো দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published.