করোনা আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিলো ভারতীয় রেলমন্ত্রক, রেলের এতো বড় ঘোষণায় কতটা খুশি আমজনতা?

করোনা আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিলো ভারতীয় রেলমন্ত্রক, রেলের এতো বড় ঘোষণায় কতটা খুশি আমজনতা?

নিজস্ব প্রতিবেদন:- এর আগে আমরা জেনেছি যে রেলে বেশ কিছুটা অংশ বেসরকারিকরণের পথে হেঁটেছি । এবং তাতে যাত্রীদের কি পরিমান সুবিধা অসুবিধা হবে তা শুধুমাত্র সময় বলবে । কিন্তু মূলত যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবেই ফের আরও একবার বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল । এবার দূরপাল্লার ট্রেনে থাকবে না কোনো নন এসি কোচ ।শুধুমাত্র থাকবে এসি কোচ এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় রেল । যেসব ট্রেন ঘন্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার গতিবেগে চলে সেই সব ট্রেনের নন এসি কোচ কে বাতিল করা হবে তার পরিবর্তে পুরোটাই রাখা হবে এসি কোচ । দ্রুতগামী ট্রেনের এসি কোচ এর জন্য যাত্রীদের গুনতে হবে বেশি টাকা । কিন্তু তা মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সকল প্রকার শ্রেণীর মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকবে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় রেল ।

এর পাশাপাশি এসি কোচ সিট সংখ্যা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ওই দিন । রেল মন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওইসব ট্রেনের এসি কোচে টিকিটের দাম যাত্রীদের আয়ত্বের মধ্যেই থাকবে। ফলে যাত্রীরা আরামেই যাতায়াত করতে পারবেন। আপাতত দিল্লি-মুম্বই ও দিল্লি-হাওড়া রুটে ওইসব কোচ ব্যবহার চালানো হবে। কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে ওই ধরনের কোচ তৈরি হচ্ছে। চলতি বছরে এই ধরনের ১০০টি কোচ তৈরি করতে চায় রেল। আগামী বছরের মধ্যে তা বাড়িয়ে ২০০ করার পরিকল্পনা।

রেল মন্ত্রকের মুখপাত্র ডি জে নারাইন জানিয়েছেন যে নন এসি কোচ ট্রেনের মধ্যে থাকলে বাতাস সেজন্য ট্রেনের গতিবেগ বাড়াতে যথেষ্ট সমস্যা হয় । কিন্তু যদি দ্রুতগামী ট্রেনের পরিষেবা মানুষ পেতে চায় তাহলে অবশ্যই নন-এসি কোচগু-লিকে বাতিল করতে হবে । রেলবোর্ডের চেয়ারম্যান তথা সিইও বিনোদকুমার যাদব এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দফায় দফায় এই কাজ করবে রেল। ২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ১,৯০০ মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার করার যে লক্ষ্য নিয়েছে রেল, তারই অঙ্গ হিসেবে স্লিপার ক্লাস তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত। রেল এর মত অনুসারে এতে মানুষের যাত্রা আরো আরামদায়ক হবে । এবং তার সাথে বিলাসবহুল ও হবে । কিন্তু আদটো এই পরিকল্পনা ঠিক কতটা সুবিধাজনক হয় তা একমাত্র সময় বলবে ।

,

Leave a Reply

Your email address will not be published.