সিটি পড়ার সাথে সাথেই প্রেসার কুকারে হয় ওভার ফ্লো? এবার থেকে ট্রাই করুন এই সহজ কিছু দুর্দান্ত টিপস

নিজস্ব প্রতিবেদন: অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু প্রেসার কুকার ওভারফ্লো হয়ে যায় যার দরুন আমাদেরকে এই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা তাই গৃহিণীদের এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বিশেষ কিছু টিপস শেয়ার করতে চলেছি যাতে প্রেসার কুকার কখনোই ওভারফ্লো হবে না এবং আপনার রান্নাঘরের আর নোংরা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।। চলুন তাহলে সময় নষ্ট না করে আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

ভালো করে ধুয়ে ফেলুন প্রেসার কুকার:

প্রত্যেকবার ব্যবহার করার আগে বা পরে কিন্তু আপনাদেরকে ভালো করে প্রেসার কুকার ধুয়ে নিতে হবে। কুকার থেকে সমস্ত স্টিম ঠিকঠাক বেরিয়ে গিয়েছে কিনা সেটাও বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়। কারণ যদি কোন কারনে ময়লা জমে যায় তাহলে কিন্তু প্রেসার কুকার ব্যবহার করার সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। হালকা গরম জলে সাবান গুলে সেই জলে আপনারা মোটামুটি ১৫ থেকে কুড়ি মিনিট প্রেসার কুকার ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে খুব সহজেই কিন্তু আপনাদের রান্নার প্রেসার কুকার পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ওয়াশারের প্রতি নজর:

অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু দেখা যায় প্রেসার কুকার ব্যবহার করতে গেলে ওয়াশার আলগা করে লাগিয়ে রাখা হয়। তবে আপনাদের অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত যে এই ওয়াসার যদি আপনারা ভালোভাবে সেট না করেন সে ক্ষেত্রে কিন্তু কুকারে থাকা জল বা ঝোল খুব সহজেই ওভারফ্লো করে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে। তাই অবশ্যই এটাকে টাইট ভাবে লাগানোর চেষ্টা করবেন। যদি কোনো কারণে দেখেন যে প্রেসার কুকারের ওয়াশার টাইট ভাবে আটকাচ্ছে না সে ক্ষেত্রে আপনারা নতুন কিনে নিয়ে আসতে অবশ্যই পারেন।।প্রতিবার ব্যবহারের পর ওয়াশারটিকেও ভাল করে ধুতে ভুলবেন না। ধোওয়ার পর ওয়াশারটিকে ফ্রিজে রেখে দিন।

ফাঁকা জায়গা রাখুন:

প্রেসার কুকারের ভেতরে যখন আপনারা রান্নার জিনিসগুলি দেবেন অবশ্যই খেয়াল রাখবেন এর মধ্যে মোটামুটি যেন এক চতুর্থাংশ জায়গা ফাঁকা থাকে। কারণ কিছুটা জায়গা ফাঁকা না থাকলে কিন্তু ভেতরের স্টিম বাইরে বেরোতে পারবে না ফল্স্বরূপ কুকার ওভার ফ্ল্যো হয়ে যেতে পারে। এছাড়া প্রয়োজনীয় জলের চেয়ে বেশি মাত্রায় জল দিলেও ওভার ফ্লো হতে পারে। তাই অবশ্যই আপনারা সেই দিকেও খেয়াল রাখবেন।

‘সিটি’ দিলেই ওভার ফ্লো?

ডাল রান্নার সময় প্রেশার কুকারে ‘সিটি’ দিলেই কি সব ডাল ওভার ফ্লো করে? মনে রাখবেন, যদি আপনার কুকারটি ডালের পরিমাণের তুলনায় ছোট হয়, তাহলে এমনটা ঘটতে পারে। সুতরাং যখন রান্না করবেন তখন কিন্তু অবশ্যই কুকারের পরিমাণ অনুযায়ী রান্নার পরিমাপ নজরে রাখতে ভুলবেন না। ডাল রান্নার সময় একেবারে কম আঁচে কুকার বসাবেন।

Back to top button