শীঘ্রই কী খুলতে চলেছে স্কুল? জানুন ভাইরাল খবরের সত্যতা!

শীঘ্রই কী খুলতে চলেছে স্কুল? জানুন ভাইরাল খবরের সত্যতা!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- করোনার প্রভাব এর জন্য সেই লকডাউন এর প্রথম দিক থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল স্কুল গু-লিকে। যাতে একটা বড় সংখ্যক জমায়েত এড়ানো যায় তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। তবে ইতিমধ্যে দেশে আনলক পর্ব শুরু হয়ে গেছে। এবং সেই আনলক পর্বে ধীরে ধীরে খুলতে চলেছে স্কুল গুলি এমন টা অনেক দিন আগে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত স্কুল ক্লাস শুরু করার পক্ষে সাওয়াল দিয়েছিলেন অনেকেই। এবার সেই ঘটনাকে সামনে রেখেই নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ।

মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি বৈঠক করা হয়। এবং সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কার্তিক মান্না ,মহুয়া দাস ও কল্যাণ গঙ্গোপাধ্যায় সূত্রের খবর, এই দিনের বৈঠকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্তই কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস থেকে শুরু করে পরীক্ষা কবে নেওয়া সম্ভব তা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। মাধ্যমিক স্তরে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সিলেবাস পূর্ণ হলেও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এখনো কিছুই হয়নি । কারণ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পড়ুয়াদের এখনো পর্যন্ত কোন ক্লাস নেওয়া হয়নি । সেই সমস্ত দিক মাথায় রেখে খুব শিগগিরই উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস শুরু করতে চাইছে সরকার ।

অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের কতটা সিলেবাস কা-টছাঁ-ট হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দুই বোর্ডের তরফে রিপোর্ট জমা পড়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরে। সূত্রের খবর,  স্কুল শিক্ষা দফতরের রিপোর্ট জমা পরপর মুখ্যমন্ত্রী দফতরে তা ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত দুই বোর্ডের তরফেই মাধ্যমিকের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ সিলেবাস এবং উচ্চমাধ্যমিকের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সিলেবাস কাটছাঁটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে । যদিও এই দিনের বৈঠকে স্কুল শিক্ষা সচিব কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন যাবতীয় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন। সে ক্ষেত্রে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কোন সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে নাকি সেই দিকেই নজর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের।

তবে ফেব্রুয়ারি মাসে ও মার্চ মাসে কেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না, তা নিয়েও স্কুল শিক্ষা সচিবের প্রশ্নের মুখে পড়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে সে ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষার কথা মাথায় রাখতে বলা হয়েছে। কারণ, ওই দুই বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা যদি মার্চ মাসে হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে এ রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিকে পড়ুয়ারা  বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে। সে ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা সূচি চূড়ান্ত করার আগে এই বিষয়টিও যাতে মাথায় রাখা হয় তা নিয়েও কার্যত সতর্ক করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।


Leave a Reply

Your email address will not be published.