“সব বলে দেব! কিছুটা ব্যক্তিগত থাক!”, নামজাদা রেস্টুরেন্টে রাহুলের বার্থডে সেলিব্রেশন করেও কি বিষয় গোপন রাখলেন রুকমা?

নিজস্ব প্রতিবেদন: টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির একটি অত্যন্ত পরিচিত মুখ রাহুল ব্যানার্জি। বড় পর্দা থেকে শুরু করে ছোট পর্দা সব জায়গাতেই নিজের অভিনয়ের প্রতিভা প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে তাকে। তবে ব্যক্তিগত জীবনে কিন্তু রাহুল ব্যানার্জিকে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই বলাই যায়। কখনো অভিনেত্রী রুকমা রায়ের সঙ্গে আবার কখনো অভিনেত্রী সুদীপ্তার সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে টলিপাড়ায় কিন্তু জল্পনা চলছে। এই সবকিছুর মাঝেই সম্প্রতি পেরিয়ে গিয়েছে তার জন্মদিন।

দক্ষিণ কলকাতার একটি নামকরা রেস্টুরেন্টে সাদা, কালো, বেগুনি রংয়ের বেলুন দিয়ে সুসজ্জিত করা হয় রাহুলের জন্মদিনের জন্য। আর টেবিলে সাজানো হয় কেক। পুরো ব্যবস্থাটির আয়োজন করেন অভিনেত্রী রুকমা এবং তাঁর পুরো টিম। শুটিংয়ের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেই প্রিয় বন্ধুর জন্য জন্মদিনের আয়োজন করতে কিন্তু কোন রকমের খামতি রাখেননি অভিনেত্রী রূকমা রায়। জন্মদিনের ভাইরাল ছবিগুলি দেখে রীতিমতন আপ্লুত হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। তবে স্বাভাবিকভাবেই কিন্তু কিছু বিতর্ক আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিজের জন্মদিনের সেলিব্রেশানের পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাহুল ব্যানার্জি। তিনি বেশ আনন্দ সহকারেই জানান,“সবাই বলছিল বিজয়া সম্মিলনী। কিন্তু আমি বেশ আঁচ করতে পারছিলাম যে জন্মদিন উপলক্ষেই ওরা কিছু পরিকল্পনা করছে। আমি অবশ্য না জানার ভান করেছিলাম”। বোঝাই যাচ্ছে অভিনেত্রী রুকমা রায় সহ অন্যান্য কাছের মানুষদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করতে পেরে বেশ খুশি রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে রাহুলের জন্মদিন সম্পর্কে বলতে গিয়ে অনেক কথাই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

রুকমার কথায়,“দক্ষিণ কলকাতার এক রেস্তঁরায় জমিয়ে খাওয়াদাওয়া হয়েছে। মূলত দক্ষিণী খাবার। আমার আর রাহুলদার একটা নির্ভেজাল বন্ধুত্ব আছে। সেই বন্ধুত্ব থেকেই অনেক শুভ কামনা রাহুলদার জন্য”। এরপর যখন অভিনেত্রীকে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন যে জন্মদিনে অভিনেতাকে কি উপহার দিলেন তিনি? রুকমা জানান, “একটা বই দেব”। আমাদের সকলেরই জানা রাহুল বই পড়তে বড্ড ভালোবাসেন।

তো এমন একটা উপহার পেলে অভিনেতা যে খুশি হবেন তা বলাই যায়। কোন লেখক এর বই উপহার দিচ্ছেন অভিনেত্রী? রুকমা বলেন, “সব বলে দেব! কিছুটা ব্যক্তিগত থাক।” অন্যদিকে আবার এত আয়োজন প্রসঙ্গে রাহুলের বক্তব্য, “এমন ভাবে উদ্‌যাপন করতে বেশ লজ্জা লাগে। তবে সবার উৎসাহ দেখে মন্দ লাগেনি। রবিবার শ্যুটিংয়ের পর স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে খাওয়াদাওয়া হবে। সহজ আসতে পারছে না। ও মায়ের সঙ্গে রামপুরহাট গিয়েছে শ্যুটিংয়ে। রাত হবে ফিরতে। সোমবার উদ্‌যাপন করা হবে”।

Back to top button