1200 কোটি টাকা খরচ করে তৈরী হচ্ছে আকাশছোঁয়া উচ্চতার হনুমান মূর্তি!

1200 কোটি টাকা খরচ করে তৈরী হচ্ছে আকাশছোঁয়া উচ্চতার হনুমান মূর্তি!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাম মন্দিরের ভূমি পুজো সম্পন্ন করার পর থেকে গোটা দেশে এটি বেশ রেশ ফেলেছে। এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর দাবি যে এই দেশ কেবল ভারতে নয় বরং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বহুকাল ধরে মানুষ যেন এরই প্রতীক্ষায় অপেক্ষমান ছিল। তাই এই মাহেন্দ্রক্ষণে মানুষের উৎসাহ বেশ চোখে পড়ার মতো।

যদিও এ বিষয়ে একথা বলতেই হবে যে করোনা পরিস্থিতিতে মন্দির নির্মাণের ব্যাপারে উৎসাহ সব মানুষ ভালো ভাবে নেয় নি। কেননা দেশে কর্নার প্রকোপ ভ’য়া’বহ। এমতাবস্থায় মন্দির নির্মাণের ব্যাপারে মানুষের একত্রিত হওয়া বি’প’দ’জনক বটে।অনেকে আবার ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে এতে রাম মন্দির নির্মাণের সূচনায় কোন বি’ঘ্ন ঘটে নি।শ্রীধাম জয়ধ্বনিতে উৎসব পালন করেছেন বহু মানুষ।

শোনা যাচ্ছে আগামী সোমবার থেকে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে।ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট বরাদ্দ জমি সাফাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।সে যাই হোক ভগবান শ্রীরামচন্দ্র মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তবে তার ভক্ত বাদ যান কেন? তাই কর্নাটকের হাম্পিতে এবার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে রামচন্দ্রের ভক্ত হনুমান দেবের মন্দির। আনুমানিক ২১৫ মিটার উঁচু এই মন্দিরের নির্মাণ কাজের খরচ হতে পারে ১২০০ কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে হনুমান জন্মভূমির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট তৈরি করা হয়েছে। খরচের কিছুটা দেবে কর্ণাটক সরকার। বাকিটা ভক্তদের থেকেই সংগ্রহ করা হবে। ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে যে তারা মূর্তি নির্মাণের অনুমতি চেয়ে কর্নাটক সরকারকে চিঠি দিয়েছে।অযোধ্যায় কেবল রামচন্দ্রের মন্দির হবে না।রামচন্দ্রের মূর্তিও স্থাপিত হবে। একথা আগেই জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার বরহাটা গ্রামে স্থাপিত হতে চলেছে ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের সুবিশাল সেই মূর্তি।

যার উচ্চতা আনুমানিক ২২১ মিটার। তাই কিছুটা ইচ্ছাকৃতভাবেই ভগবানের থেকে ভক্তের মূর্তি ছোট করা হবে। কর্নাটকের হাম্পিতে হনুমান দেবের মূর্তি হবে রামচন্দ্রের মূর্তি থেকে ৬ মিটার ছোট।প্রায় ৬ বছর সময় লাগতে পারে এই মন্দির তৈরীর কাজে। ট্রাস্ট জানিয়েছে যে অর্থ সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় হনুমান রথযাত্রাও করা হবে।

পুরান মতে হাম্পির কাছেই কিষ্কিন্ধ্যায় বানররাজ সুগ্রীবের রাজত্ব ছিল। হাম্পির কাছে অঞ্জনাদি পাহাড়ের চূড়ায় হনুমান দেবের একটি মন্দির আগে থেকেই আছে। কিন্তু সেখানে পৌছতে 550d সিরি অতিক্রম করতে হয় ভক্তদের। তাই এবার ভক্তদের ক’ষ্ট কমানোর জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে হনুমান জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট।