দিদি নং ওয়ানে কানে হেডফোন নিয়ে উচ্ছে বাবুকে যা বললো মিঠাই, না শুনলে হবে পুরো মিস

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলা টেলিভিশনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শো হল দিদি নাম্বার ওয়ান। দীর্ঘ সময় ধরেই এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করে আসছেন অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি সকলকেই এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। সম্প্রতি লক্ষ্মীপূজো উপলক্ষে স্পেশাল এপিসোডে এই অনুষ্ঠানে এসেছিল মিঠাই ধারাবাহিকের টিম।।

এই ধারাবাহিক থেকে দিদি নাম্বার ওয়ানে এদিন হাজির ছিল মিঠাই, শ্রীনন্দা এবং শ্রীতমা এবং শ্রীনিপা। তাদেরকে সঙ্গ দিতে দেখা যাবে সিদ্ধার্থকে। অন্যান্য নানান ধরনের গল্পের পাশাপাশি এদিন নিজের মনের মানুষের কথা রচনা ব্যানার্জীর সামনে তুলে ধরেন আপনাদের সকলের প্রিয় মিঠাইরানী ওরফে সৌমিতৃষা কুন্ডু।

দিদি নাম্বার ওয়ান অনুষ্ঠানের একটি জনপ্রিয় রাউন্ড হল হেডফোন রাউন্ড। এই রাউন্ডে কানে একটি ফুল ভলিউম এ কোন গান চালিয়ে হেডফোন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এবার অপরপক্ষে থাকা প্রতিযোগী কানে হেডফোন লাগানো প্রতিযোগীকে কয়েকটি শব্দ বলেন। ফুল ভলিউমে থাকা হেডফোন পড়ে থাকা সত্ত্বেও সেই শব্দগুলি কি সেগুলো অন্য প্রতিযোগীকে কিন্তু ধারণা করে বলতে হয়।

দিদি নাম্বার ওয়ান এর হেডফোন রাউন্ডে কানে হেডফোন লাগিয়ে এই প্রতিযোগী হিসেবে ছিলেন মিঠাই এবং অপরদিকে ছিলেন সিদ্ধার্থ। লক্ষ্মীপূজো সম্বন্ধে তো কিছু শব্দ তাকে জিজ্ঞেস করতে দেখা যায় এবং তার প্রত্যেকটাই খুব সুন্দর ভাবে উত্তর দেন মিঠাই। এছাড়াও রাউন্ডের শুরুতে যখন মিঠাইয়ের কানে হেডফোন লাগিয়ে দেওয়া হয় তখন অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি তাকে জিজ্ঞেস করেন তিনি সিদ্ধার্থকে কিছু বলতে চান কিনা! হেডফোন লাগানোর আগে এই প্রশ্নটি শুনে তিনি উত্তর দেন ১০০% লাভ।

সবমিলিয়ে লক্ষ্মীপূজো স্পেশাল এই বিশেষ এপিসোডটিতে কিন্তু দারুন মজা করেছেন মিঠাই এবং সিদ্ধার্থ। শুধুমাত্র তাই নয় এদিন নিজের মনের মানুষের কথা সকলের সঙ্গে শেয়ার করে নেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি প্রথমে মিঠাই কে তার মনের মানুষের কথা জিজ্ঞাসা করেন।

রচনার কথায়,‘মিঠাই যেমন তাঁর উচ্ছেবাবুর জন্য পাগল, সেরকম সৌমিতৃষার মনের মানুষটি কে?’ তখনই সৌমিতৃষা উত্তর দেন, ‘‘কেন আমি তো নিজের ভ্যালেন্টাইন হিসেবে জি বাংলার নাম নিয়েই নিয়েছি। ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে যারা আমাকে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে টি গার্ডেনের মধ্যে বাথটবে ফুল দিয়ে দিচ্ছে, শিফন শাড়ি পরাচ্ছে, আমার ইচ্ছে ছিল বেশ ‘তেরে মেরে ’তে নাচব, সেটাও পূরণ করে দিয়েছে।তাই জি বাংলার চেয়ে ভালো ভ্যালেন্টাইন আর কে হতে পারে!”

শুধুমাত্র এখানেই থেমে থাকেন নি রচনা ব্যানার্জি। এরপর আবারো মিঠাই রানীকে ঘুরিয়ে প্রশ্ন করেন তিনি এবং জিজ্ঞেস করেন,সৌমিতৃষার মনের মানুষকে কী রান্না জানতে হবে? তখন মিঠাইরানির উত্তর, ‘না সেরকম কোনও ক্রাইটেরিয়া নেই’। সৌমি জানান, তার মনের মানুষ যে হবে তার শুধু একটু প্যাম্পর করে তাকে আগলে রাখলেই হয়ে যাবে। সব থেকে আশ্চর্যের ব্যাপার এদিন দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে আরও বেশ কিছু মজাদার ঘটনা সকলের সঙ্গে শেয়ার করে নেন মিঠাই।

অভিনেত্রী জানান বাস্তব জীবনে তিনি অত্যন্ত কুড়ে। শুটিং না থাকলে বেলা একটার আগে কখনোই তিনি বিছানা থেকে ওঠেন না। শুধুমাত্র তাই নয়, আপনারা জানলে অবাক হবেন যে মিঠাইকে আপনারা পর্দায় দেখেন যে মোদক পরিবারের সমস্ত কাজ একা হাতেই সামলে নেয়। আদতে বাস্তব জীবনে সে কোন কাজই কিন্তু করতে পারে না। এমনকি জল খেতে গেলে বা জুতো পড়তে গেলেও সেটাও তাকে হাতের কাছে এগিয়ে দিতে হয়। প্রতিবেদনটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই লক্ষ্মীপুজো স্পেশাল দিদি নাম্বার ওয়ান এর এই বিশেষ এপিসোড টি আপনারা দেখে নিতে ভুলবেন না।

Back to top button