‘করোনা আবহে গত ছয়মাসে বহন করেছে কমপক্ষে 200 টি মৃ’তদেহ, শেষপর্যন্ত করোনা আ’ক্রা’ন্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক আরিফ’

‘করোনা আবহে গত ছয়মাসে বহন করেছে কমপক্ষে 200 টি মৃ’তদেহ, শেষপর্যন্ত করোনা আ’ক্রা’ন্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক আরিফ’

নিজস্ব প্রতিবেদন:- ম-র-ণব্যাধি এই নোবেল করোনাভাইরাস ইতিমধ্যে প্রাণ নিয়েছে বহু প্রিয় মানুষের । একে একে কেড়ে নিয়েছে মানুষের কাছ থেকে তাদের প্রিয়জনদের । মৃ-ত্যু-মিছিল রেখেছে অব্যা-হত দেশ তথা পৃথিবী জুড়ে । যখন এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন দেশের সবই তখন এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা । আমরা এই ম-র-ণ-ব্যা-ধি করুণা ভাইরাসের আক্র-মণ কালে দেখেছি কিভাবে নিজের জীবন কে বাজি রেখে রীতিমতো প্রথম সারির যো-দ্ধাদের মতন নির্বিঘ্নে নির্ভয় ল-ড়া-ই জারি রেখেছে পুলিশ কর্মী স্বাস্থ্য কর্মী এবং ডাক্তারেরা।

রীতিমতো নিজের জীবনে কোনো তোয়াক্কা না করে ডাক্তার পুলিশকর্মী স্বাস্থ্যকর্মী এরা প্রতিনিয়ত সেবা করে চলেছেন করোনা আ-ক্রা-ন্ত-দে-র । ফিরিয়ে দিচ্ছেন আবার নিজের বাড়িতে, নিজের প্রয়োজনে কাছে । কিন্তু কখনো কখনো তারা আর বাড়ি ফিরতে পারেন না । থেমে যায় যাদের জীবন যু-দ্ধ সেই প্রথম সারিতেই । সে রকম একটি ঘটনা ঘটল আরিফ খানের সাথে । দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক ছিল আরিফ খান।

বাড়ি কাছাকাছি থাকলেও স্ত্রী এবং ছেলেমেয়েদের কথা ভেবে ছ’মাস বাড়ি যাই নি সে । সেই মার্চ মাস থেকে রাত কাটাতেন পার্কিং লট এ । বহন করেছেন কোরোনা আ-ক্রা-ন্ত রোগীদের তার সাথে সাথে বহন করেছে করোনাতে ২০০ টি মৃ-তদেহ । কিন্তু সেই আরিফের আর বাড়ি ফেরা হলো না । পড়ে রইল তার নিথর দেহ । জানা গেছে ভগৎ সিং নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অ্যাম্বুলেন্স চালক দায়িত্বে ছিলেন আরিফ। সংস্থাটি বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দিয়ে থাকেন এবং এই লকডাউনে তাই করছিলেন ।

সংস্থার কর্মী জিতেন্দ কুমার সংবাদমাদ্যমে জানিয়েছেন, কমপক্ষে ২০০ করোনায় মৃ-ত রোগীকে নিজের অ্যাম্বুল্য়ান্সে বহন করেছেন আরিফ। সবার শেষকৃত্য যাতে ভালোভাবে সম্পন্ন হয় তার খেয়াল রাখতেন আরিফ। কিন্তু নিজের পরিবারই তার শেষকৃত্য ভালোভাবে করতে পারল না। আরিফের মৃ-তদেহ দূর থেকে দেখেই বিদায় নিতে হল পরিবারের সদস্যদের।

গত ৩ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে পড়েন আরিফ। সঙ্গে সঙ্গেই তার কোভিড টেস্ট করা হয়। সেই টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতালে ভর্তির কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর মৃ-ত্যু হয়। হঠাৎ করে তাদের পরিবারের উপর নেমে পড়ে ভে-ঙে ছাদ । এই অবস্থায় ৯০০০ টাকা বাড়িভাড়া মেটানো আরিফের পরিবারের পক্ষে সত্যিই একটা বড় সমস্যা । কারণ পরিবারের আয়ের এর উৎস বলতে ছিল একমাত্র আরিফ । এমতাবস্থায় তারা কি করবেন বা না করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না ।


Leave a Reply

Your email address will not be published.