নিউজ

‘লাদাখকে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে মানে না চীন’- হটাৎ সুর ছড়াল চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রক!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- ভারতের সাথে চীনের সীমান্তে যু-দ্ধের আবহাওয়া ক্রমশ দিন দিন বেড়েই চলেছে । এর আগে আমরা দেখেছি দু দেশের সেনাদের মধ্যে হাতা-হাতির ঘটনা। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়েছিল দুই দেশ ।তৈরি হয়েছিল যু-দ্ধের পরিবেশ। সেইমতো ভারত সরকার সীমান্তে ক্রমশ বাড়িয়েছিল সেনা বল। একের পর এক অত্যাধুনিক আ-গ্নে-য়া-স্ত্র ক্ষে-প-ণা-স্ত্র সেখানে মজুদ করার ব্যবস্থা করেছিল ভারতীয় সরকার। যাতে কোনো পরিস্থিতিতে যু-দ্ধ লাগলে ভারতকে যেন পিছিয়ে না আসতে হয় ।

কিন্তু এই ইন্দো চীন সীমান্তে যু-দ্ধের আবহাওয়া শান্ত হওয়া দরকার ।তাই দরকার জরুরি আলোচনা এবং বৈঠক ।তবে বৈঠকের মাধ্যমে যে সমাধান আসতে পারে এমনটা মনে করে না অনেকে ।ঐদিন এদিকে, চুশুলে সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে সপ্তম বৈঠক করলেন দুদেশের সেনাকর্তারা। সাড়ে এগারো ঘণ্টার ওই বৈঠকে বাস্তবিকই তেমন কিছুই বেরিয়ে আসেনি। ওই বৈঠকের পর যে যৌ-থ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে লাদাখ সম্পর্কে চিনের অবস্থানের কোনও উল্লেখ নেই। তবে ঠিক হয়েছে, সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে দুদেশের মধ্যে সেনা ও কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চালানো হবে। মতপার্থক্য সং-ঘাতের কারণ হবে না। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং লাদাখে মোট আটটি সেতুর উদ্বোধন করেন। কিন্তু এই উদ্বোধন নিয়ে ক্ষিপ্ত চীন। তাদের বক্তব্য বেআ-ইনিভাবে ভারত লাদাখ এবং সীমান্তের অঞ্চলকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার চেষ্টা করছে। সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নতি করে রাস্তাঘাট তৈরি করে ভারত বেআইনি কাজ করছে ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, অরুণচল প্রদেশ ও পঞ্জাবের সীমান্তবর্তি এলাকায় মোট ৪৪টি সেতুর উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এনিয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রথমেই বলে রাখি লাদাখকে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে মানে না চিন। অরুণাচল প্রদেশের ক্ষেত্রেও একই অবস্থান চিনের। সীমান্ত এলাকায় যে কোনও পরিকাঠামো তৈরির বি-রো-ধী আমরা। দুপক্ষেরই উচিত সীমান্ত এলাকায় এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া যা দুদেশের উত্তেজনাকে বাড়িয়ে দেয়।  ভারত যেভাবে সীমান্তে সেনা সমাবেশ বাড়াচ্ছে তাতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে দুদেশের মধ্যে।’ তবে অনেকের মতে আগামী দিনে ভারত-চীন সীমান্তে যে সংঘাত তা সহজে মিটিয়ে ফেলা নেওয়া নেওয়া যাবে যদি দুই দেশের মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বা আলোচনা সম্ভব হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button